ঢাকা, ||

এবার মনগড়া অভিযোগ কামালচক্রের


অপরাধ সংবাদ

প্রকাশিত: ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে মড়িয়া হয়ে উঠেছে ময়মনসিংহ শহরের জামতলা মোড়ের ১০-৯-১ রোডের বাসিন্দা মৃত আব্দুস সত্তরের পুত্র কামাল মিয়া ও তার সহযোগীরা। সম্প্রতি দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও অপরাধ সংবাদের সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক বাদী হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭/৬৬ ধারা মামলা, কামাল মিয়া তার সহযোগী মাসুদ রানাগং এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন।

মামলা নং- ৯৩৯/১৮ । এই মামলা হওয়ায় পর মড়িয়া হয়ে উঠেছে কামাল ও তার সহযোগী মাসুদ রানা, আব্দুল্লাহ আল আমিন ও ফারুকগং। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর থেকে ময়মনসিংহবাসীর দৃষ্টি ভিন্নদিকে সড়াতে চক্রান্তের ধারাবাহিকতায় খায়রুল আলম রফিক এবং এই পত্রিকার প্রকাশক ড. মো: ইদ্রিস খানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করে তারা। কামাল মিয়া, মাসুদ রানা তাদের ফেসবুক ওয়ালে মোঃ খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, কল্পকাহিনী লিখে মানহানিকর অপপ্রচার চালিয়েও ক্ষান্ত হয়নি। বিজ্ঞ আদালতে দ্বারস্থ হয় তারা মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে। কামাল মিয়া বাদী হয়ে খায়রুল আলম রফিককে ১ নং আসামি এবং ড. মো: ইদ্রিস খানকে ২নং আসামি করে বিজ্ঞ আদালতে দরখাস্ত দাখিল করে। ঐদরখাস্তে কামাল তার সহযোগী আনিসুর রহমান ফারুককে ১নং, মো: মাসুদ রানাকে ২নং , আব্দুল্লাহ আল আমিনকে ৩নং এবং সাব্বির হোসেনকে ৪নং স্বাক্ষী হিসাবে উল্লেখ করে।

লিখিতভাবে ঐদরখাস্তে কামাল বলে যে, গত ২/৯/ ১৮ ইং তারিখ রাত ৮টায় এবং ২য় তারিখ ৩/৯/১৮ রোজ সোমবার বেলা ১২টায় শহরের ৬, অমৃতবাবু রোড প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ এর সামনে খায়রুল আলম রফিক তার কাছে যথাক্রমে ছবি চায়! ছবি দেয়া যাবে না বললে রফিক তাকে ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে! তার এই মনগড়া ঘটনা গত ২ /৯/১৮ ইং তারিখে। এসময় কামাল আরো উল্লেখ করে রফিক তার বিরুদ্ধে অনলাইন পত্রিকা অপরাধ সংবাদে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে। গত ৩/৯১৮ ইং তারিখে পুনরায় ময়মনসিংহ প্রতিদিনে একটি সংবাদ প্রকাশ করে।

আরো বলা হয় খায়রুল আলম রফিকের নেতৃত্বে ৪/৫জনে শহরের গোলপুকরপাড় প্রেসক্লাবের সামনে কামাল মিয়াকে পেয়ে তার মোটর সাইকেল থামিয়ে উত্তেজিত হয়ে পত্রিকার কপি দিয়ে চাঁদার টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় মোটর সাইকেল থেকে নামিয়ে কিলঘুষি মারে। মোটর সাইকেল ভাংচুর করে! তবে এই অভিযোগে ২নং আসামির ঘটনাস্থলে বর্ণনা পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, কামাল তার অভিযোগে বর্ণনায় ঘটনার দিন খায়রুল আলম রফিক নিজের একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ঢাকায় উচ্চ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঐ মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। অপরদিকে বাদী কামালের বর্ণিত ঘটনার ২দিন আগে থেকে মামলার ২নং আসামী পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ উপজেলায় তার পৈত্রিক ভিটায় ড. ইদ্রিস খানের মাতা ইন্তেকাল করেন । সেই সূত্রে তিনি তার পৈত্রিক ভিটাতেই অবস্থান করছিলেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর তিনি ময়মনসিংহ এসে নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেন। এদিকে বাদী কামাল মিয়ার মিথ্যা এই অভিযোগ বিজ্ঞ আদালতের হাকিম অসঙ্গতি এবং উপাদান না থাকায় ফেরৎ পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। যার দরখাস্ত নং ১১৩/১৮। উল্লেখ্য- কামালে বর্ণিত প্রথম ঘটনার সময়ে মোঃ খায়রুল আলম রফিককে মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়ার কারনে ঐ দিন তিনি ঢাকা মতিঝিল থানায় স্বশরিরে উপস্থিত হয়ে ৮০ নং জিডি করেন। ২য় ঘটনার দিন ওসময়ে হাইকোর্টে উপস্থিত থেকে ডিরেকশন নেন।

Top