ঢাকা, ||

ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক সন্ত্রাসী!


জাতীয়

প্রকাশিত: ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮

এটা কোন খবরই নয়! তবুও ময়মনসিংহ শহরবাসীর মূখে আলোচনা সমালোচনা চলছে। আর চরিত্র কত বিচিত্র তাও ফুটে উঠছে দাবীদার সাংবাদিকদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অনলাইন পোর্টালে এদের খবরের ছড়াছড়ি! এরা নিজেদেরকে সাংবাদিক সমাজে পন্ডিৎ দাবী করে। চষে বেড়ায় সারা জেলা। নাম্বার প্লেইটহীন বাইক কিংবা প্র্রাইভেটকারে। বেমালুম আইন, তবুও নিচ্ছেনা প্রশাসন ব্যবস্থা। এদের কাছে অসহায় শুধু সাধারন মানুষই নয়! মনে হয় আইনের হাতও!

নইলে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অবৈধ যান নিয়ে কি কবে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে! এরা বিভিন্ন সময়ে, ভুক্তভোগী সাধারন মানুষকে আশ্বস্থ করে বড় কর্তাদের সাথে তাদের রমরমা খাতির! সব তারা করেদিবে! এসকল দাবীদার সাংবাদিকদের প্রতিদিন হাজিরা আছে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে! আর আড্ডা দেয় ঘন্টার পর ঘন্টা। অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক বা কিছু কিছু সংবাদপত্র স্যার মাত্র খেয়ে এসেছেন, স্যার বাথরুমে গেছে, এধরনের সংবাদ প্রকাশ করে থাকে! হ্যায়রে সাংবাদিক?

পেশা কার্ড ঝুলিয়ে তদবির! এতো কিছুর পরও ময়মনসিংহে শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিকরা কান মূখ লাড়ছেনা! প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে দেখা যায় কিছু চিহ্নিত দাবীদার সাংবাদিক ঘন্টার পর ঘন্টা বসে আড্ডা দেয়। বুজার উপায় নেই কে অফিসার আর কে সাংবাদিক! ভুক্তভোগী পরিচিত কেউ আসলেই শুরু হয় সাংবাদিকের তদবির। ডিবি, থানা, পুলিশ ফাড়ি, ফুড অফিস, উপজেলা অফিস গুলোতে এচিত্র দেখা যায়। আবার এগুলো সংবাদ পাওয়ার উৎস। কিন্তু আড্ডা আর তদবির প্রশাসনকে বিতর্কিত করে ফেলে!

সম্প্রতি কিছু পেশাদার আর ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টাল সাংবাদিকদের মাঝে ¯œায়ু যোদ্ধ শুরু হয়েছে। এতে করে পেশাদার নামিদামী সাংবাদিকরা যে সমালোচিত হচ্ছেন না তেমন নয়। ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকায় ইতিপূর্বে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী দূর্ভোগ, খাদ্য বিতরনে অনিয়ম, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দূর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ পায়। সংবাদ গুলো যুগান্তর, জনকন্ঠ, আলোকিত সকাল, মাতৃছায়া, নবকল্যান, পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে। কুকের ঠিকাদার আবুল হাসিম মামলা ঠুকে দিলেন ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদকের নামে। ঘটনাস্থল দেখানো হলো হাসপাতালের ভিতরে কুক অফিস! এটা কি আবুল হাসেমের অফিস না হাসপাতালের পরিচালকের?

পরিচালক বা তার কোন স্টাফ মামলা না দিয়ে আবুল হাসেম কেন মামলা দিলেন? আর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ কোথায় গেল? হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মি, পুলিশ ও তাদের স্ট্যাফরা কোথায় ছিলো? এ ব্যর্থতার জন্য কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? সম্পাদক রফিক এতোসব করে নিরাপদে চলে গেলো? কেউ তার কেশাগ্রহ স্পর্ষ করতে পারলো না ?

কিসের নিরাপত্তা হাপাতালে? এতোসব অদৃশ্য প্রশ্নের উত্তর ঠেকাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও মামলার বাদী কিছু সংবাদ কর্মীদের পক্ষে নিয়েছেন। তারা এখনো কোন প্রিন্ট মিডিয়ায় সারা জাগাতে পারেনি। চলছে ফেসবুক আর অনলাইন পোর্টালে।

Top